ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচার নিশ্চিত না হলে এই হত্যাকাণ্ডে রাষ্ট্রের একটি অংশ জড়িত ছিল বলে ধরে নেওয়া হবে।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্যসেন হলে শহীদ শরিফ ওসমান হাদির গ্রাফিতি উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মিনহাজ, মাস্টারদা সূর্যসেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম, হল সংসদের ভিপি আজিজুল হকসহ অন্যান্যরা।
ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেন, ওসমান হাদি বলেছিলেন— “জান দেবো, কিন্তু জুলাই দেবো না”— এবং তিনি তার সেই অঙ্গীকার রক্ষা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, হামলার ঘটনার ১৬ দিন পার হলেও সরকার এখনো হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
তিনি বলেন, হামলার মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত ব্যক্তি দেশের বাইরে ভারতে পালিয়ে গেছে— এমন তথ্য পাওয়া গেছে। এত শক্তিশালী গোয়েন্দা নজরদারি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে একজন হত্যাকারী দেশ ছাড়তে পারে, সে প্রশ্ন এখনো অনুত্তরিত।
ডাকসু ভিপি আরও বলেন, বাংলাদেশে আর কোনো দিল্লির তাবেদারি চলবে না, ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি হবে না। শহীদ ওসমান হাদির বিচার এই স্বাধীন বাংলাদেশেই হবে— ইনশাআল্লাহ। যারা বিচারপ্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, ওসমান হাদির লড়াই ছিল ইনসাফের লড়াই, জুলাই বিপ্লবকে পূর্ণতা দেওয়ার লড়াই এবং আধিপত্যবাদবিরোধী সংগ্রাম। এই লড়াই দীর্ঘমেয়াদি, এবং তা ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়াই এখন সময়ের দাবি।


