আমাদের ই-পেপার পড়তে ভিজিট করুন
ই-পেপার 📄
দৈনিক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ
ঢাকাTuesday , 23 December 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কবিতা
  6. কর্পোরেট
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. রাজনীতি
  15. লাইফস্টাইল
আজকের সর্বশেষ সবখবর

স্বেচ্ছায় যুক্তরাষ্ট্র ছাড়লে প্রত্যেক অভিবাসীকে ৩০০০ ডলার করে দেবে ট্রাম্প প্রশাসন

Link Copied!

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাসরত অভিবাসীদের জন্য বড় অঙ্কের আর্থিক প্রণোদনার ঘোষণা দিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। চলতি বছরের শেষ নাগাদ যারা স্বেচ্ছায় নিজ নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন, তাদের প্রত্যেককে ৩ হাজার ডলার করে সহায়তা দেওয়া হবে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, সোমবার (২২ ডিসেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এর আগে এই আর্থিক সহায়তার পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম ছিল। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন তা তিন গুণ বাড়িয়ে ৩ হাজার ডলারে উন্নীত করেছে। ডিএইচএস জানিয়েছে, নগদ সহায়তার পাশাপাশি অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরার জন্য বিনা মূল্যে বিমান টিকিটও সরবরাহ করা হবে।

এ বিষয়ে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সচিব ক্রিস্টি নোম এক বিবৃতিতে বলেন, “অবৈধ অভিবাসীদের উচিত এই সুযোগটি গ্রহণ করে স্বেচ্ছায় দেশত্যাগ করা। অন্যথায়, আমরা তাদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করব। সে ক্ষেত্রে তাদের আর কখনোই যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসার সুযোগ থাকবে না।”

উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চে ট্রাম্প প্রশাসন ‘সিবিপি হোম’ নামে একটি অ্যাপ চালু করে, যার মাধ্যমে অভিবাসীরা স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার আবেদন করতে পারেন। এর আগে জো বাইডেন প্রশাসনের সময় একই অ্যাপ ‘সিবিপি ওয়ান’ নামে পরিচিত ছিল, যা মূলত অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে আইনগতভাবে প্রবেশের প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হতো।

ডিএইচএসের হিসাব অনুযায়ী, একজন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার, আটক ও জোরপূর্বক বহিষ্কার করতে সরকারের গড়ে প্রায় ১৭ হাজার ডলার ব্যয় হয়। সে তুলনায় স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে ৩ হাজার ডলারের সহায়তা সরকারের জন্য অনেক বেশি সাশ্রয়ী বলে মনে করছে প্রশাসন।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সময় ট্রাম্প প্রতি বছর অন্তত ১০ লাখ অভিবাসীকে প্রত্যাবাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত তার প্রশাসন প্রায় ৬ লাখ ২২ হাজার অভিবাসীকে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। আগামী ২০২৬ সাল থেকে এই অভিযান আরও জোরদার করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে হাজার হাজার নতুন এজেন্ট নিয়োগ, নতুন ডিটেনশন সেন্টার নির্মাণ এবং অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত করতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার উদ্যোগ নিচ্ছে মার্কিন সরকার।