আমাদের ই-পেপার পড়তে ভিজিট করুন
ই-পেপার 📄
দৈনিক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ
ঢাকাThursday , 1 January 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কবিতা
  6. কর্পোরেট
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. রাজনীতি
  15. লাইফস্টাইল
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তারেক রহমানের সঙ্গে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের বৈঠক

Link Copied!

নির্বাচন-পরবর্তী রাষ্ট্র বিনির্মাণ ও জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার পথে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সময়ের দাবিতে ঐক্যকে সামনে রেখে তিনি তুলে ধরেছেন আগামীর একটি সম্ভাব্য রোডম্যাপ—যেখানে কোলাবোরেশনই হবে মূল কৌশল।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন ডা. শফিকুর রহমান। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছর দেশ পরিচালনা ও রাষ্ট্র গঠনে একটি বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকের শুরুতে ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিদল সদ্যপ্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে খোলা শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন এবং তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও নাগরিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তিনি আজীবন আপসহীন ভূমিকা রেখে গেছেন। ইতিহাস তাঁকে যে সম্মান দিয়েছে, তা ছিল তাঁর ন্যায্য প্রাপ্য। জাতির কল্যাণে যদি কেউ এমন অবদান রাখতে পারে, তবে সেও একইভাবে সম্মানিত হবে—এটাই ইতিহাসের নিয়ম।

তিনি খালেদা জিয়ার চিকিৎসা প্রসঙ্গে আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য বারবার আবেদন করা হলেও সময়মতো অনুমতি না দেওয়ায় তার শারীরিক অবস্থার অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।

আগামী দিনের রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একটি সুস্থ ও কার্যকর গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে জাতীয় নির্বাচনের পর এবং সরকার গঠনের আগ মুহূর্তে সব রাজনৈতিক শক্তিকে এক টেবিলে বসার বিষয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। নির্বাচন শেষে শপথ গ্রহণের আগেই পুনরায় বৈঠকে বসার ব্যাপারেও উভয়পক্ষ একমত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অতীতে রাজপথে যেমন একসঙ্গে কাজ করা হয়েছে, ভবিষ্যতেও তেমন সমন্বিতভাবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। আগামী পাঁচ বছর জাতির জন্য ইতিবাচক কিছু অর্জন করতে রাজনৈতিক ঐক্য কতটা কার্যকর হতে পারে—সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় এসেছে।

নির্বাচন প্রসঙ্গে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে জামায়াত আমির বলেন, তারা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চান। দেশে একটি সুন্দর ও টেকসই গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে জামায়াতে ইসলামী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।