আমাদের ই-পেপার পড়তে ভিজিট করুন
ই-পেপার 📄
দৈনিক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ
ঢাকাWednesday , 19 November 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কবিতা
  6. কর্পোরেট
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. রাজনীতি
  15. লাইফস্টাইল
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকে সঞ্চয়পত্র-প্রাইজবন্ড বিক্রি ও নোট বদল বন্ধ

Link Copied!

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিসে সঞ্চয়পত্র ও প্রাইজবন্ড বিক্রি, ছেঁড়া–ফাটা নোট বদল এবং এ–চালানসহ সব ধরনের কাউন্টার সেবা আগামী বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) থেকে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। নিরাপত্তাজনিত বিবেচনায়, কেপিআইভুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করছে।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০ নভেম্বরের পর সাধারণ গ্রাহক আর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাউন্টার থেকে এসব সেবা নিতে পারবেন না। তবে বাণিজ্যিক ব্যাংক, পোস্ট অফিস এবং সঞ্চয় অধিদফতর যেন নির্বিঘ্নে সেবা দিতে পারে—সে জন্য তদারকি আরও বাড়ানো হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বের কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরাসরি সাধারণ জনগণকে এ ধরনের সেবা দেয় না। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক তফসিলি ব্যাংকের মাধ্যমে সেবা প্রাপ্তিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ধাপে ধাপে ঢাকার বাইরে অন্যান্য বিভাগীয় অফিসেও একই নিয়ম চালু করা হবে।

এর আগে গত ২২ জুন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর মতিঝিল অফিসের ক্যাশ বিভাগ পরিদর্শন করেন এবং আধুনিকায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। পরবর্তী সময়ে গঠিত কমিটির সুপারিশে গ্রাহকসেবা বন্ধের সিদ্ধান্ত আসে। এ বিষয়ে ১৮ আগস্ট ও ২২ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে একাধিক বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। অতীতে দুইজন গভর্নর এ উদ্যোগ নিলেও পরিস্থিতির কারণে তা বাস্তবায়ন হয়নি।

সম্প্রতি সার্ভার জালিয়াতির ঘটনায় মতিঝিল অফিস থেকে ২৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র আত্মসাৎ এবং আরও ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা ধরা পড়ে। ঘটনাটির পর থেকেই সঞ্চয়পত্র বিক্রি স্থগিত রয়েছে এবং এ ঘটনায় চারজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

বর্তমানে সারা দেশে বাণিজ্যিক ব্যাংক, সঞ্চয় অধিদফতর এবং পোস্ট অফিস থেকেই সঞ্চয়পত্র কেনা যায়। প্রায় সব ব্যাংকেই পাওয়া যায় প্রাইজবন্ড ও ছেঁড়া–ফাটা নোট পরিবর্তনের সুবিধা। তবুও আস্থা ও ঝামেলামুক্ত সেবার কারণে গ্রাহকদের ভিড় বেশি থাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিসে। বর্তমানে প্রচলিত সঞ্চয়পত্রের মোট পরিমাণ তিন লাখ ৪০ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা, যার ৩০ শতাংশেরও বেশি ব্যবস্থাপনা হয় এই অফিসের মাধ্যমে।

২০ নভেম্বরের পর থেকে এসব সেবা শুধুমাত্র বাণিজ্যিক ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকেই গ্রহণ করতে হবে।